বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ দেশে বিরোধী দল যে নিরাপত্তাব্যবস্থা পাচ্ছে, আমার তো মনে হয় না দক্ষিণ এশিয়ায় এত ভালো নিরাপত্তা আর কোনো দেশের আছে।
বিএনপির আন্দোলন করার ক্ষমতা নেই মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিরোধী দলের সভা-সমাবেশ করার জন্য কোনো প্রকার হুমকি সৃষ্টি করছে না সরকার। এখন কেউ যদি সভা-সমাবেশ ডেকে ঘরে বসে হিন্দি সিরিয়াল দেখেন, তা হলে কার কী করার আছে। মির্জা ফখরুল ইসলামরা নিজেরাই নিজেদের গুটিয়ে ফেলেছেন। আন্দোলন করার সৎসাহস তাদের নেই। দেশে এখন আন্দোলন করার মতো কোনো সাবজেক্টিভ কিংবা অবজেক্টিভ কন্ডিশনও নেই।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে নৃশংসতম হত্যাকাণ্ড যারা ঘটায় তাদের স্বাভাবিক মৃত্যু হয় না। নবাব সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারী ষড়যন্ত্রকারী মীর জাফরসহ অন্যদের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে তা দেখলেই বোঝা যায়। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দিকে তাকালেও একই বিষয় পরিলক্ষিত হয়। জিয়াউর রহমান যদি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিদেশে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা না করতেন, বিদেশে দূতাবাসে চাকরি না দিতেন, ইনডেমনিটি আইন করে হত্যাকারীদের বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ না করতেন, তা হলে হয়তো তাকেও এভাবে মরতে হতো না। যে বুলেট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে সেই বুলেটের আঘাতেই খালেদা জিয়াও বিধবা হয়েছেন।
যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তারের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় আরও বক্তব্য দেন, আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুন্নাহার রত্না, কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি প্রমুখ।